Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

ইরানি বন্দর অবরোধের ঘোষণায় ফের বাড়ল তেলের দাম

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
১৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৫৮ | আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১২:০৪

খারগ দ্বীপে ইরানের তেলের টার্মিনাল। ছবি: গেটি ইমেজেস।

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মাথায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রবেশ বা বের হওয়া যেকোনো জাহাজ ‘অবরোধ’ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৪ দশমিক ২৪ ডলারে পৌঁছেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৭ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেল ১০২ দশমিক ২৯ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার। যুদ্ধের প্রভাবে বিভিন্ন সময়ে তা ১১৯ ডলারও ছাড়িয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত শুক্রবার পাকিস্তানে বৈঠকের খবরের মধ্যে জুনে সরবরাহের জন্য তেলের দাম কিছুটা কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ২০ ডলারে নেমেছিল।

উল্লেখ্য, নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘একটি পর্যায়ে হরমুজ দিয়ে “সবাইকে ঢুকতে দেওয়া হবে এবং বের হতে দেওয়া হবে”—এমন অবস্থানে পৌঁছাব আমরা। কিন্তু ইরান সেটি হতে দিচ্ছে না।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি আমাদের নৌবাহিনীকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এমন প্রতিটি জাহাজকে খুঁজে বের করতে ও গতিরোধ করতে নির্দেশ দিয়েছি, যারা ইরানকে টোল (শুল্ক) দিয়েছে। যারা বেআইনিভাবে টোল দেবে, গভীর সমুদ্রে তাদের কোনো নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে না।’

তারপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ১৩ এপ্রিল থেকে তারা ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ কার্যকর করতে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্টের ঘোষণা অনুযায়ী ওই দিন সকাল ১০টা থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে আসা-যাওয়া করা সব ধরনের নৌ-চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। মূলত তখন থেকেই হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে ইরান। বিশ্বের মোট জ্বালানি প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহের এই গুরুত্বপূর্ণ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর