Tuesday 28 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট একনজরে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১১ জুন ২০২৬ ১৬:০২ | আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ১৯:৪৩

জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ অর্থবছর। ছবি: সারাবাংলা

ঢাকা: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, বিপর্যস্ত আর্থিক খাত সংস্কার, দেশীয় শিল্পের বিকাশ, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ঘোষণা করেছে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার (১১ জুন) বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তাবিত এ বাজেট উপস্থাপন করেন। এবারের বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিনিয়ন্ত্রণকরণ: সবার জন্য উন্নয়ন’।

প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এটি জিডিপি’র ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় টাকার অঙ্কে বাজেটের আকার বাড়ছে ১ হাজার ৪৮ হাজার কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।

বিজ্ঞাপন

বাজেটের আকার ও আয়-ব্যয়

প্রস্তাবিত ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেটের চুড়ান্ত আকার (ব্যয়) ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এতে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এটি জিডিপি’র ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে ঘাটতি ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা। এটি ছিল জিডিপি’র ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

বাজেটে জিডিপি‘র প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি

বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতির গড় হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। বাজেটের প্রতিবাদ্য হচ্ছে, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’। আগামী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা।

বাজেটের আয় যেভাবে আসবে

বাজেটে রাজস্ব প্রাপ্তি কর থেকে আয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত করের মাধ্যমে আয় ধরা হয়েছে ২৫ হাজার হাজার কোটি টাকা। কর বহির্ভূত রাজস্ব থেকে আয় আসবে ৬৬ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটের ঘাটতি যেভাবে পূরণ করা হবে

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি মোকাবিলায় অর্থায়নের উৎস হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং অনুদান। বাজেট ঘাটতি পূরণে আগামী বাজেটে ঘাটতি মোকাবিলায় ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অনন্য খাত থেকে নেওয়া হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা।

সারাবাংলা/জিএস/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর