Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

বিদেশি কোম্পানির সস্তা ঋণ সহজে আনতে শর্ত শিথিল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৫ জুলাই ২০২৬ ১৯:৪৫ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬ ২০:৫০

ঢাকা: বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য কম খরচে (সাধারণত শূণ্য থেকে ৩ শতাংশ পর্যন্ত) স্বল্প মেয়াদীর অর্থায়নের পাশাপাশি মধ্য মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানির জন্য বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার বিধিমালা শিথিল করার ফলে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের মূল কোম্পানি (প্যারেন্ট কোম্পানি), সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং শেয়ারধারীদের কাছ থেকে সহজেই ঋণ নিতে পারবে। এতে বিদেশি বিনিয়োগ দেশে আসতে ভোগান্তিও কমবে।

বুধবার(১৫ জুলাই) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞাপন

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড), অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড), হাইটেক পার্কসহ বিশেষায়িত অঞ্চল এবং এসব অঞ্চলের বাইরে পরিচালিত উৎপাদন ও সেবা খাতের সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিদেশি ঋণ নেওয়ায় এ সুবিধা পাবে।

প্রজ্ঞাপন অনুসারে, এক বছরের কম মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে বিশেষায়িত অঞ্চলের বাইরের প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ছাড়াই চলতি মূলধনের জন্য সুদমুক্ত ঋণ নিতে পারবে। এ ছাড়া কাঁচামাল সংগ্রহসহ ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ বার্ষিক অল-ইন-কস্টে সুদযুক্ত ঋণও নেওয়া যাবে। এসব ঋণ মেয়াদ শেষে এককালীন পরিশোধ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত রোলওভার করা যাবে।

বলা হয়েছে, এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে মূলধনি ব্যয় যেমন যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ও নির্মাণকাজের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন বা ৫ কোটি ডলার পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ এবং সর্বোচ্চ ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত সুদযুক্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাঁচ বছরের বেশি মেয়াদি, অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি ঋণও নেওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে সুদ প্রযোজ্য হলে এ হার বার্ষিক সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুসারে, বকেয়া বৈদেশিক ঋণ ইকুইটিতে রূপান্তরের সুযোগও রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানির জন্য বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার বিধিমালা শিথিল করার ফলে এখন আর বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয় কর্তৃপক্ষের (বিডার) অনুমতির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনতে হবে না। আর আগে ছিল স্বল্পমেয়াদী এ ধরণেরে ঋণের সুযোগ। এখন মধ্য মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী তথা সময়সীমা ছাড়া অর্থায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে প্রায় শূণ্য শতাংশ ঋণের পরিশোধের চাপ কমছে। এমনকি এই ধরণের ঋণ পরিশোধ না করলে তা ইক্যুইটিতে পরিবর্তন করা যাবে। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের বাড়তি জামেলামুক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর