Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

টাঙ্গাইলে কুকুরের কামড়ে আহত ৫৪

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৯

টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের সখীপুরে কুকুরের কামড়ে ২৪ ঘণ্টায় ৫৪ জন আহত হয়েছেন৷

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুর থেকে আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত ৫৪ জন আহত ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা দিয়েছে ভ্যাকসিন সংকট। ভ্যাকসিনের সংকটের কারণে অনেকেই ফার্মেসি থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।

সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত ৫৪ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে।আহতদের মধ্যে দুই-তিনজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আক্রান্তদের অধিকাংশই সখীপুর পৌরসভা, কালিয়া ইউনিয়ন, বহেড়াতৈল ইউনিয়ন, কাকড়াজান ইউনিয়ন ও গজারিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। এদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ এবং ২১ জন নারী রয়েছে। ১০ বছরের নিচে শিশু রয়েছে ৯ জন। ৬০ বছরের ওপরে রয়েছেন ৭ জন।

বিজ্ঞাপন

সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে আরবী (৪), রাসেদা (৪৫), শাজাহান (৩৫) নামের তিনজন কুকুরের কামড়ে আহত রোগী আসার পর থেকে হঠাৎ করেই রোগীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে৷ দুপুর পেরিয়ে রাত হয়ে গেলেও রোগী বাড়তেই থাকে। সোমবার সকালেও একই অবস্থা থাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা দিয়েছে ভ্যাকসিন সংকট।

স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, হঠাৎ করেই উপজেলায় কুকুরের এমন ভয়াবহ আক্রমণে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এভাবে চলতে থাকলে বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে যাওয়া, সাধারণ মানুষের চলাফেরা করতে সমস্যা হবে। তিনি দ্রুত উপজেলা প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা হানিফ সিকদার বলেন, রাস্তাঘাটে বের হতে ভয় লাগছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে আমরা খুব চিন্তায় আছি। কুকুরগুলো হঠাৎ করে আক্রমণ করছে। বেয়ারিশ কুকুরগুলো দ্রুত ভ্যাকসিনেশের আওতায় নিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি। জরুরী ভ্যাকসিন ব্যবস্থা না করা গেলে, সাধারণ মানুষের সেবা পেতে সমস্যা হবে।

সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহানা পারভীন বলেন, ভ্যাকসিন সংকটের বিষয়টি ইউএনও-কে জানিয়েছি। আহতরা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন। ভ্যাকসিনের স্বল্পতার কারণে আমরা সবাইকে ভ্যাকসিন দিতে পারিনি। যতটুকু সম্ভব আমরা দিয়েছি, বাকিরা বাহিরের ফার্মেসি থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে চিকিৎসা নিচ্ছে।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর