Sunday 02 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

নোয়াখালীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রমিজ গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২২ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:০০

গ্রেফতার মো. রমিজ।

নোয়াখালী: নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে খুন ও ডাকাতিসহ ১৮ মামলার আসামি তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার মো. রমিজকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সুধারাম মডেল থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তার কাছ থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, একটি দেশীয় তৈরি দোনালা পাইপগান এবং পাঁচ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতার রমিজ উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের আমিনুল হকের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন সুধারাম মডেল থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, রমিজ ও তার সহযোগীরা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আন্ডারচর ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ভোর রাতে গোলাগুলিতে জড়ায়। এতে পুরো এলাকায় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযানে নামে এবং রমিজ ও তার বাবা আমিনুল হককে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার মো. রমিজের বিরুদ্ধে খুন ও ডাকাতিসহ মোট ১৮টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সাতটি মামলায় তিনি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন। রমিজের পিতা আমিনুল হকের বিরুদ্ধে খুন ও ডাকাতিসহ আটটি নিয়মিত মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি মামলায় তিনি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি।

তিনি বলেন, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. রমিজের বিরুদ্ধে সুধারাম থানায় নতুন করে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন করে জেলা পুলিশ ও যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে। কেউ যদি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। গত দেড় মাসের অভিযানে ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩৪ রাউন্ড কার্তুজ-গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে থানা লুটের ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. লিয়াকত আকবর, সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনসহ জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর