Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

‘খাল খনন সফল হলে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে’

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
২০ মে ২০২৬ ০০:২৬ | আপডেট: ২০ মে ২০২৬ ১১:১৩

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।ফাইল ছবি

ঢাকা: পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরে খাল খননের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি। খাল যদি খনন না করা হয়, তাহলে দখল তো হবেই। খালের মধ্যে শিল্প-কারখানা, বর্জ্য-স্তূপ জমে আছে, কেমিক্যাল প্রবাহিত হচ্ছে। যেখানে পানি প্রবহমান থাকার কথা, সেখানে ঘর-বাড়ি, দোকানপাট গড়ে উঠেছে অবৈধভাবে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ্যানি বলেন, ‘খাল খনন কর্মসূচি এখনো খুব জনপ্রিয় কর্মসূচি। এটার সঙ্গে আমার-আপনার বাস্তব জীবন জড়িত, সামাজিক জীবন জড়িত, পরিবেশ-জলবায়ু জড়িত। পুরো পরিবেশ, জলবায়ু, পানি, নদী, খাল, মাছ, গাছ-গাছড়া, ভূগর্ভস্থ পানির লেয়ার জড়িত।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইশতেহার অনুযায়ী খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেছি। বিরোধীদল যদি সহযোগিতা করে, তাহলে আমরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি খাল খনন করতে পারব। এটা হলো বিপ্লব, এটা হলো আন্দোলন, এটা হলো জাগরণ। এর সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতি জড়িত, কৃষির উন্নয়ন জড়িত, মৎস্য সম্পদ জড়িত, পরিবেশ জলবায়ু জড়িত ও ভূগর্ভস্থ পানির লেয়ার জড়িত।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ৫০ বছর যদি খাল খনন অব্যাহত না রাখি, ওই অঞ্চল পানির নিচে চলে যাবে। ওই অঞ্চলে থাকার কোনো সুযোগ থাকবে না। এজন্যই খাল খনন করে আমরা একদিকে ভূগর্ভস্থ পানির লেয়ার বাড়াব, আরেকদিকে কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং গ্রামীণ অর্থনীতিটাকে চাঙ্গা করব। এটার সঙ্গে পুরা বাংলাদেশের আমার-আপনার গ্রামের জীবন জড়িত।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল-সেখানে বর্ষার পর যে মরুভূমি হয়ে যায়, আমরা পদ্মা ব্যারেজ না করলে এই অঞ্চল মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাবে। ফলে আমরা পদ্মা ব্যারেজের বাজেট একনেকে অনুমোদন দিয়েছি। আগামী জুনে এটি পাস হবে। এটি হলে ৩৭ শতাংশ মানুষ সুবিধা পাবে। ’

এ সময় তিনি ছাত্ররাজনীতির গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেন। এ্যানি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজের শিক্ষার্থীরা সচেতনতার জায়গা থেকে নিজেদেরকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করলে খারাপ লোকেদের সেখানে আসার সুযোগ থাকবে না। এ জন্য বাংলাদেশের প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার পাশাপাশি রাজনীতিত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। যদি আপনার নেতৃত্ব ঠিক না থাকে, তাহলে আপনি আপনার জ্ঞান, অভিজ্ঞা কোথায় কাজে লাগাবেন? ফলে ছাত্র রাজনীতির প্রতি যে বিমুখতা, তা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’

‘তবে ছাত্ররাজনীতির নামে যেসব অপরাজনীতি হওয়ার সুযোগ অনেকে চান বা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেন, এসব অপকর্ম বাদ দিয়ে প্রকৃত ছাত্ররাজনীতির ধারাবাহিকতা ধরে রেখে আমরা যেন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারি। ৫ আগস্টের পর নৈতিকভাবে সে দায়িত্ব আমাদের ওপর পড়েছে’- যোগ করেন তিনি।

সারাবাংলা/কেকে/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর