Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

ভারত-বাংলাদেশজুড়ে জিয়াউলের ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ ছিল: চিফ প্রসিকিউটর

স্টাফ করেসপন্ডেট
২১ জুন ২০২৬ ১৭:৪৩ | আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ২০:২৮

প্রেস ব্রিফিংয়ে ন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

ঢাকা: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম দাবি করেছেন, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে একটি ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল।

রোববার (২১ জুন) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রোববার এক সেনা কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন। তার সাক্ষ্যগ্রহণ এখনও চলমান রয়েছে এবং এতে বেশ কয়েকটি আলোচিত ঘটনার বিবরণ উঠে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

আমিনুল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, সাক্ষী জাফলং এলাকায় পরিচালিত একটি অভিযানের কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে র‍্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুই আসামিকে নিয়ে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে একটি দল যায়। পরে ভারত থেকে সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তি আরও দুইজনকে সেখানে নিয়ে আসে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে আসামি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও দাবি করেন, সাক্ষীর বর্ণনা অনুযায়ী ভারত থেকে আনা দুই ব্যক্তিকে পরবর্তীতে জিয়াউল আহসান মাথায় গুলি করে হত্যা করেন। তার মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি আন্তঃসীমান্ত হত্যাচক্র পরিচালিত হতো। তবে ভারত থেকে আনা ব্যক্তিরা বাংলাদেশি নাকি ভারতীয় নাগরিক ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, সাক্ষীর জবানবন্দিতে উঠে এসেছে যে, বিডিআরের কয়েকজন সদস্যকে আটক করে বিভিন্ন উপায়ে হত্যা করা হয়। কারও শরীরে ইনজেকশন প্রয়োগ করে এবং কারও মাথায় গুলি করে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হতো বলে সাক্ষী দাবি করেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এভাবে ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্য নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, এসব তথ্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলার সাক্ষ্যের অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে এবং অভিযোগগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া এখনও চলমান।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর