Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

জন্মস্থানেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০ জুলাই ২০২৬ ১২:০৭ | আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬ ১৪:০৯

আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি। ফাইল ছবি

৬ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে সমাহিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ইরানের মাশহাদ শহরের পবিত্র ইমাম রেজা (আ.) মাজার প্রাঙ্গণের দার আল-জিকর নামের কক্ষে ইসলামী বিপ্লবের এই নেতাকে দাফন করা হয়।

এর আগে, মাজারের পায়ামবারে আজম (সা.) প্রাঙ্গণে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহীদ নেতার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি বিশেষ বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

জানাজার নামাজে ইমামতি করেন ইরানের সর্বোচ্চ এই নেতার জ্যেষ্ঠ পুত্র সাইয়্যেদ মোস্তফা খামেনি।

সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে অনুষ্ঠিত তার শেষ শোকযাত্রায় লাখো মানুষ অংশ নেন। নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে মরদেহবাহী গাড়িকে ঘিরে শহরের প্রধান সড়কগুলো জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

বিজ্ঞাপন

এসময় সেখানে উপস্থিত জনতা আমেরিকার মৃত্যু, ইসরায়েলের মৃত্যু কামনা করে স্লোগান দেন। এছাড়াও তারা শোকের পাশাপাশি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে ইয়া লাসারাতিল হুসাইন লেখা লাল পতাকা বহন করেন।

এদিকে বাবার জানাজায় উপস্থিত ছিলেন না ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা ও খামেনিপুত্র মোজতবা খামেনি। ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কা এবং চিকিৎসাধীন থাকায় মোজতবা তার পিতার শোক অনুষ্ঠান এবং জানাজায় আসতে পারেননি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। ধর্মীয় পরিবারে জন্ম নেওয়া খামেনি তরুণ বয়সে কোম ও মাশহাদে ইসলামি শিক্ষা লাভ করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দ্রুত দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। এরপর ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ বছর তিনি সেই দায়িত্বে ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর