Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

মার্কিন আদালতে মাদুরো / আমি নির্দোষ, আমি এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:৪৪ | আপডেট: ৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৯

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে নেওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, আমি এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট। আমাকে ধরে নিয়ে আসা হয়েছে। খবর বিবিসির।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ম্যানহাটান ফেডারেল আদালতে তোলা হয়।

এই মামলায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন ডিস্ট্রিক্ট জজ আলভিন হেলারস্টেইন। মাদুরোর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারি জোয়েল পোলাক, যিনি উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের হয়ে মামলা লড়েছিলেন। প্রথম দিনের শুনানি শেষে আদালত আগামী ১৭ মার্চ পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে মাদুরো ও ফ্লোরেস—দু’জনের পরনে ছিল কারাবন্দিদের পোশাক। মাদুরোর পায়ে ছিল ডান্ডাবেড়ি। প্রথমেই বিচারক হেলারস্টেইন তাকে পরিচয় নিশ্চিত করতে বলেন। জবাবে মাদুরো বলেন, ‘আমি নিরপরাধ। দোষী নই। আমি একজন ভদ্রমানুষ। আমিই এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।’ শুনানিতে তার স্ত্রীও নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

পুরো শুনানির সময় কাগজে নোট নিচ্ছিলেন মাদুরো। সেগুলো নিজের কাছে রাখার জন্য বিচারক হেলারস্টেইনের কাছে অনুরোধ করেন তিনি। বিচারক তাকে অনুমতি দেন।

শুনানির শেষভাগে মাদুরোর আইনজীবী ব্যারি পোলাক বলেন, তার মক্কেলের ‘সামরিক অপহরণ’ নিয়ে জটিল আইনি লড়াইয়ের আশঙ্কা করছেন। তিনি বলেন, ‘মাদুরো এই মুহূর্তে মুক্তির আবেদন করছেন না। তবে ভবিষ্যতে এমন আবেদন করার অধিকার রয়েছে তার।’ ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় ফ্লোরেস আহত হয়েছেন বলে আদালতকে জানান তার আইনজীবী মার্ক ডনেলি।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে তুলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিয়ে আসে মার্কিন বাহিনী। এর পর তাদের বন্দি রাখা হয় নিউইয়র্কের কুখ্যাত আটককেন্দ্র মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে। সেখান থেকেই তাদের আদালতে নেওয়া হয়।

মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনা হয়। এদিকে ভেনেজুয়েলায় সেদিনের মার্কিন হামলায় অন্তত ৮০ জন নিহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর