Wednesday 29 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

কুষ্টিয়ায় স্কুলকক্ষে অচেতন অবস্থায় ছাত্রী, পাওয়া গেল ধর্ষণের আলামত

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:১৭ | আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:২৯

ওই স্কুল ছাত্রীকে ঘিরে রেখেছে তার পরিবারের সদস্যরা।

কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে সারাবাংলাকে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে যায়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও সে বাড়িতে ফিরে আসেনি। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর রাত ৮টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বিদ্যালয়ের যান। এ সময় বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুলের কাছে মেয়েটির খোঁজ জানতে চাইলে তিনি বিদ্যালয়ে কেউ নেই বলে দাবি করেন এবং চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তখন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পিয়নের কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়রাও সেখানে যান। কিন্তু পিয়ন চাবি দিতে রাজি না হওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয় এবং তারা পিয়নের সঙ্গে হাতাহাতি করে চাবি নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে। এ সময় একটি কক্ষ থেকে ওই ছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পরে ওই ছাত্রীকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাইনি ওয়ার্ডের মেঝেতে ওই ছাত্রীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে। তারা জানায়, মেয়েটি কথা বলার মত অবস্থায় নেই। তাই কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, সেটিও জানা সম্ভব হচ্ছে না।

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম বলেন, ‘রাতে ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। রোগী বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।’

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অফিসার ইনচার্জ) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তবে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর