Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড / বড় অংকের অর্থ লেনদেন, পরিকল্পনাকারী পাতা সোহেল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৬:২৮ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৭:৩৯

র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন।

ঢাকা: রাজধানীর পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়েছে। এতে মোটা অংকের অর্থ লেনদেন হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী আসামি মো. মনির হোসেন সোহেল ওরফে পাতা সোহেল (৩০)।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “গতকাল মঙ্গলবার রাতে সাভার থানাধীন বিরোলিয়া এলাকা থেকে মো. মনির হোসেন সোহেল এবং জিএমপির টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন মাজার বস্তি এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের সন্দিগ্ধ ও ১৮টি মামলার শীর্ষ ও পলাতক সন্ত্রাসী মো. সুজন ওরফে বুকপোড়া সুজনকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার আসামিরা মিরপুরকেন্দ্রিক ‘ফোর স্টার’ সন্ত্রাসী গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।”

বিজ্ঞাপন

লে. কর্নেল মাহবুব আলম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডটি সুপরিকল্পিত এবং এতে মোটা অংকের অর্থ লেনদেন হয়েছে। গ্রেফতার আসামিরা পেশাদার হত্যাকারী। পাতা সোহেলের নামে পল্লবী থানায় একাধিক হত্যা, ডাকাতি ও মাদক মামলা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বুকপোড়া সুজনের নামে ১৮টি মামলা রয়েছে। যার মধ্যে ডাকাতি, হত্যা, মাদক ও অস্ত্রসংক্রান্ত মামলাসহ বিভিন্ন ওয়ারেন্ট অন্তর্ভুক্ত। দীর্ঘদিন তিনি ঢাকা মহানগরীতে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন।

জানা গেছে, গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে হেলমেট ও মুখোশ পরা তিন অস্ত্রধারী মিরপুর ১২ নম্বরের বি ব্লকের ‘বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি’ দোকানে ঢুকে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব কিবরিয়াকে হত্যা করে। দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় উঠে চালক আরিফ হোসেনের কোমরে গুলি করে। স্থানীয়রা জনি ভূঁইয়াকে (২৫) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

এদিকে নিহত কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দীনা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় জনি, পাতা সোহেল, সোহাগ ওরফে কালু (২৭), মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম (২৮) ও রোকনকে (৩০) আসামি করা হয়েছে। এছাড়া, অজ্ঞাত ৭–৮ জন হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সারাবাংলা/এমএইচ/এমপি
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর