Sunday 26 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

১৮ বছর পর জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার রায়, ৫ জনের যাবজ্জীবন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৩ জুলাই ২০২৬ ২১:১৮ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬ ২৩:০০

প্রতীকী ছবি।

সিরাজগঞ্জ: দীর্ঘ ১৮ বছর পর সিরাজগঞ্জের আলোচিত খেজুরের রস বিক্রেতা জাহাঙ্গীর শেখ হত্যা মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ (প্রথম) আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রায়গঞ্জ উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামের সুজাত আলী ওরফে টুক্কা, তার স্ত্রী সেলিনা খাতুন, মেয়ে ফাতেমা খাতুন, সলঙ্গা থানার দেওভোগ গ্রামের হায়দার আলী ও হোসনে আরা খাতুন।

বিজ্ঞাপন

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহানশাহ জানান, এ মামলায় মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। অন্যদিকে জসের আলী, আল-আমিন, আশরাফ আলী, রফিকুল ইসলাম ও সবুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, নিহত জাহাঙ্গীর শেখ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হাসনা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। খেজুরের রস বিক্রির কাজে বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতের সময় রায়গঞ্জ উপজেলার সুজাত আলী ওরফে টুক্কার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে টুক্কার বাড়িতে বসবাসের সময় তার মেয়ে ফাতেমা খাতুনের সঙ্গে জাহাঙ্গীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল জাহাঙ্গীর শেখকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী মায়া খাতুন বাদী হয়ে সলঙ্গা থানায় সুজাত আলী ওরফে টুক্কাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলাটির তদন্ত করে ২০০৮ সালের ৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে প্রায় ১৮ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা হলো।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর