Sunday 26 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

১৪৪ ধারা ভেঙে লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের মিছিল, সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ১০

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৫ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২৭ | আপডেট: ৫ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০৮

পুলিশের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের হাতাহাতি ও সংঘর্ষ

লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুর শহরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পুলিশের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের চক বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে শহরের হাসপাতাল রোডে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী হাবিবুর রহমান ফাহিম এবং জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক আকবর হোসেন মুন্নার মধ্যে কথা কাটাকাটি ও সংঘর্ষ হয়। এর প্রতিবাদে রোববার বিকেল ৫টায় চকবাজার মসজিদের সামনে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। একই সময়ে পালটা সমাবেশের ঘোষণা দেয় ‘জুলাই ফাইটার্স’ ব্যানারে থাকা ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।

বিজ্ঞাপন

পালটাপালটি কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে পৌর শহরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা।

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি শুরু হয়। এতে ওসি ওয়াহিদ পারভেজসহ পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনাস্থল থেকে আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক সাইফুল ইসলাম মুরাদসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

সংঘর্ষের পর থেকে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেন।

বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম জানান, এটি ছাত্রদলের নয় বরং জুলাই ফাইটার্সের কর্মসূচি ছিল।

অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন-লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা জারি: সকল ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও দু’পক্ষ তা ভঙ্গের চেষ্টা করে। আমরা উভয় পক্ষকে সরিয়ে দিয়েছি। সংঘর্ষে ওসিসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে আটকের বিষয়টি এখন পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।

বর্তমানে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সারাবাংলা/এসআর/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর