Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

জাপা-আ.লীগকে কমিটিতে নেওয়ার অভিযোগে এনসিপি নেতার পদত্যাগ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২০ মার্চ ২০২৬ ১৭:৪৮

শেখ রেজওয়ান। ছবি: সংগৃহীত।

রংপুর: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব শেখ রেজওয়ান পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের লোকদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি, অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং-বিভাজন, শৃঙ্খলাহীনতা এবং জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনার অভিযোগ তুলেছেন।

শুক্রবার (২০ মার্চ ২০২৬) ফেসবুকে এক পোস্টে দলের সব পদ ও দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।

শেখ রেজওয়ান বলেন, ‘এনসিপির রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃত্বে এমন ব্যক্তিদের আনা হয়েছে, যারা জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। যারা জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের লোক ছিল, তারা নেতৃত্বে এসেছে। বিপ্লবীদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে যারা বিপ্লবের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, তাদের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব না।’

বিজ্ঞাপন

তিনি জেলা কমিটির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়েও অভিযোগ করেন। তার দাবি, জেলা কমিটির সদস্য সচিব এরশাদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকায় তাকে পদ থেকে সরানোর পর সেই পদ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মনির ওই পদে আসার কথা থাকলেও তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে পদটি দীর্ঘদিন শূন্য রেখে দল পরিচালনা করা হচ্ছে।

শেখ রেজওয়ান আরও বলেন, জেলা কমিটির ১ নম্বর যুগ্ম সদস্য সচিব হলেও গ্রুপিংয়ের কারণে তাকে দায়িত্ব না দিয়ে সরানোর চেষ্টা চলছে। এর পেছনে দলের যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সাদিয়া ফারজানা দিনা ও আসাদুল্লাহ আল গালিবের দ্বন্দ্ব কাজ করছে। তিনি জেলা আহ্বায়ক আল মামুনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলে বলেন, দলের মধ্যে গ্রুপিং ও বিভাজন চরম আকার ধারণ করেছে। ছোটরা বড়দের সম্মান করে না, দলীয় শৃঙ্খলা নেই। বিভিন্ন দলের লোক দলে ঢুকে পড়ায় সংকট তৈরি হয়েছে।

গত ২ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজের সাবেক সভাপতি আল মামুনকে সভাপতি ও এরশাদ হোসেনকে সদস্য সচিব করে রংপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পরে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনসিপির সদস্যসচিব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর এরশাদ হোসেনকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

এ বিষয়ে জানতে জেলা কমিটির আহ্বায়ক আল মামুনকে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর